
আইরিশ বাংলাপোষ্ট অনলাইন ডেস্কঃ তবে কি দুর্গম পার্বত্য এলাকাতেও যু’দ্ধের নানা কৌশল রপ্ত করে রাখছে চীন? ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ (পিএলএ)-এর তিব্বত মিলিটারি কম্যান্ড সূত্রে খবর এমনই।
‘চায়নানিউজ.কম’ নামের একটি নিউজ ওয়েবসাইটে এই খবর প্র’কাশ্যে এল মঙ্গলবার, যার আগের দিন ইন্দো-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘ’র্ষে জড়িয়েছে দু’দেশের সে’না।
ভারতের তরফে ২০ জন সে’নার নি’হত হওয়ার খবরের পাশাপাশি চীনের তরফেও ৪৩ জন সে’নার হতাহতের খবর মিলেছে। কী বলছে ‘চায়নানিউজ.কম’-এর রিপোর্ট?
‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ (পিএলএ)-এর তিব্বত মিলিটারি কম্যান্ড সূত্রে খবর, খুব সম্প্রতি তিব্বতের নিয়ানকিং তাংগুলা পর্বতের প্রায় ৪,৭০০ মিটার উঁচুতে যু’দ্ধের মহড়া দিয়েছে চীনের গোলন্দাজ বা’হিনী।
দূরপাল্লার অ’স্ত্রশস্ত্র, ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ অপারেটিভ বা’হিনী, বায়ুসে’না, ইলেকট্রনিক কাউন্টারমেজার ফোর্স এবং রাসায়নিক অ’স্ত্র প্র’তিরোধক ব্যবহার করে যৌথ অপারেশন চলেছে, যার লক্ষ্য ছিল, পর্বতের দুর্গম অঞ্চলের শত্রুঘাঁটি।
পর্বতের কোলে দুর্গম কোনও ঘাঁটিকে কী ভাবে বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমণে পর্যুদস্ত করা যায়, তা ঝালিয়ে নিয়েছে চীন। মহড়ার শুরুতে প্রযুক্তির ব্যবহারে দুর্গম ঘাঁটির
গো’পন খবর সংগ্রহ করে সে’না। এর পর সব রকম বা’ধা দূর করে পদাতিক বা’হিনীর জন্য রাস্তা প্রস্তুত রাখার কাজ চলে।
টার্গেট নির্ধারিত হওয়ার পর প্রথমে দুর্গম ঘাঁটির কম্যান্ডিং আউটপোস্ট এবং মোতায়েন পদাতিক বা’হিনীর উপর হা’মলা চালানো হয় ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার দিয়ে। এর মধ্যেই
ড্রোন উড়িয়ে পথের বা’ধা দূর করার পাশাপাশি শত্রুর পরিধি বুঝে নেয় চীনা সে’না।
রাস্তা খোলা পেয়ে ততক্ষণে ট্যাঙ্ক নিয়ে ঢুকে পড়েছে পদাতিক বা’হিনী। শত্রুপক্ষের হেলিকপ্টারকে ততক্ষণে সামলাচ্ছে যু’দ্ধবিমান ধ্বং’সকারী গোলা। তার মধ্যেই শত্রুঘাঁটির নির্দিষ্ট জায়গায় হেলিকপ্টারে পাঠানো হচ্ছে চীনা সে’না।
একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে শত্রুঘাঁটিকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার ব্যাসার্ধ্ব গোল করে ঘিরে ফে’লে চীনা সে’না। গোলন্দাজ বা’হিনীর যৌথ আক্রমণে নিঃশেষ হয়ে যায় শত্রুপক্ষ।
মহড়ায় অংশগ্রহণকারী জাং জিয়ালিনের দা’বি, কঠিন পরিবেশ ও প’রিস্থিতিতে যাতে ভূমি ও আকাশপথ — দু’দিক থেকেই আক্রমণ চালানো যায়, তার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে চীন।