
এ,কে আজাদ, আইরিশ বাংলাপোষ্ট ডেস্কঃ গতকাল ১সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে পার্নেল স্কয়ারের একটি হোটেলে ”ডাঃ জিন্নুরাইন ফর প্রেসিডেন্ট ” শির্ষক নির্বাচনী জনসভা সম্পন্ন হয়। জনাব সাইফুজ্জামান খান তুহিনের উপস্থাপনায় ও শামসুল হক ( হক সাহেব) এর সভাপতিত্বে সন্ধ্যা ৮ টায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
পবিত্র কোরআন লিলোয়াত করেন জনাব হারুন ইমরান। সভার প্রথমেই উপস্থিত সকলেই সকলের সাথে পরিচিত হোন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব ডাঃ জিন্নুরাইন জায়গীরদার । উপস্থাপক প্রথমেই উপস্থিত সকল মিডিয়া কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
বক্তব্য রাখেন, জনাব জহিরুল ইসলাম জহির, জনাব আক্তার হোসেন, জনাব গালিব হক,জনাব আলমগীর হোসাইন, জনাব মোঃ ইউসুফ, জনাব মোশারফ হোসেন, জনাব সুলতান আহমেদ বাচ্চু, জনাব শহিদ হোসেন, জনাব আতিকুর শহিদ মাজু,জনাব মোহাম্মদ রফিক। বক্তারা আমরা কেমন প্রার্থী নির্বাচিত করবো তার উপর আলোকপাত করেন। বক্তারা কাজী কবিরের ফেসবুকের ভিডিও বার্তার কঠোর সমালোচনা করেন।
অল বাংলাদেশী এসোসিয়েশন অফ আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জনাব জিন্নুরাইন জায়গীরদার উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন স্বল্প সময়ে অল বাংলাদেশী এসোসিয়েশন অফ আয়ারল্যান্ডের দুই বছরের মাথায় অত্যান্ত দীর্ঘ ও ব্যাখাসহ একটি গঠনতন্ত্র কমিউনিটিকে উপহার দিয়েছেন।
মেনুফেস্টের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, একটি সংগঠনের যখন ব্যাক্তি মেনুফেস্ট দেয়, তখন সেটা ব্যাক্তিগত মেনুফেস্ট হয়, তিনি আরো বলেন সল প্রার্থীর মেনুফেস্ট একজন প্রার্থী কখনোই দিতে পারেন না। শুধু মাত্র প্যানেলে নির্বাচন হলেই প্যানেলের পক্ষ থেকে মেনুফেস্ট দিতে পারে। আমাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিউনিটি পরিচালনা করাই আমাদের মেনুফেস্ট।
অনেকেই বলে থাকেন বিগত কমিটি থাকা কালীন সময়ে কোন প্রকার কার্যক্রম হয়নি। তিনি তার জবাবে বলেন, দুই বছরে বিভিন্ন কাউন্টিতে ৫০টির ও বেশি সমাজ উন্ন্যন সমাবেশ করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারী শহিদ দিবস , ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও এই সংগঠন কার্যকরী ছিল। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লালটিপ নামক একটি পূর্ণদৈর্ঘ বাংলা ছবি প্রদর্শিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রামান্যচিত্র প্রদর্শিত করা হয়েছে। ভারত, যুক্ত্রাজ্য ও বাংলাদেশ এর শিল্পী সমান্ব্যে গীতি আলেখ্য নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । আয়ারল্যান্ডের জাষ্টিস মিনিষ্টারকে নিয়ে ডিসিইউতে বাংলাদেশীদের নিয়ে অনুষ্ঠান করা হয়েছে। বিভিন্ন কাউন্টিতে প্রতি মাসে ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। সারা আয়ারল্যান্ড ব্যাপী ব্যাট্মিন্টন প্রতিযোগীতার আয়াওজন করাহয় কিলার্ণিতে । শিশুদের জন্য বিবিন্ন দিবসে চিত্রঙ্গকন প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। অভ্যার্থনা দেয়া হয় আয়ারল্যান্ডের ডিপটি প্রধানমন্ত্রী ইমন গিলমোরকে। ততকালীন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুকে অভ্যার্থনা দেয়া হয়।। সাভার ট্রাজিডিতে গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য সাহায্যের ফাউন্ড তৈরী করা হয়। ২০১২ সালে গ্রীসে অল ইউরোপীয়ান বাংলাদেশী এসোসিয়েশনে তিন জন প্রতিনিধি পাঠানো হয়। সেখানে জনাব জায়গীরদারকে সহ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আয়ারল্যান্ডে যেসব বাংলাদেশী মৃত্যু বরণ করেছেন , তাদের জন্য ফাউন্ড রাইজিং করা হয়েছে। যা মেয়াদ উত্তিনের পরেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। সমাজে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাকরীতে এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্টিতে বিভিন্ন সময় কন্স্যুলর সেবার আয়োজন করা হয়েছে। তাছাড়া সমাজের বিবিন্ন জনের বিবাদ মেটানোর জন্য বিভিন্ন সময় উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। তাছাড়া তিনি আরো নানান কার্যক্রমের বর্ননা করেন।
তিনি তার বক্তব্যের ২য় অংশে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনগনের প্রশ্রের উত্তর দেন। তিনি বলেন ১১ বছর সময়ের ৩ বছর নির্বাচন কমিশন নিয়েছে। তারও পূর্বে দুইবার জনাব মোস্তাফিজুর রহমানকে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু তিনি তা করতে ব্যার্থ হন।
সর্বশেষ তিনি বলেন আমার অনেক ব্যার্থতা থাকতে পারে, আমি চেষ্টা করবো নির্বাচিত হলে আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সমাজের উন্নায়ন মূলক কজ করে যাব ইনশাল্লাহ।