ইলন মাস্ককে পেছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকা উঠে এসেছেন বার্নার্ড আর্নল্ট

আইরিশ বাংলাপোষ্ট ডেস্কঃ বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকা থেকে ছিটকে পড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক। তাকে পেছনে ফেলে ধনকুবেরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন বার্নার্ড আর্নল্ট ও তার পরিবার।

তিনি বিলাসবহুল পণ্যের কোম্পানি এলভিএমএইচের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। ৭৩ বছর বয়সী ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আর্নল্ট বিনিয়োগকারী ও শিল্প সংগ্রাহক হিসেবেও পরিচিত।

ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। আর আর্নল্টের সম্পদের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। আর্নল্ট ও মাস্কের পরেই আছেন ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানি। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন যথাক্রমে জেফ বেজোস ও ওয়ারেন বাফেট।

বস্তুত কর্মীদের নির্বিচারে টার্মিনেট বা বরখাস্ত করার জন্য একটি ‘ডাক’ নামও জুটিয়েছিলেন বার্নার্ড— ‘দ্য টার্মিনেটর’। একটি সংস্থার দখল নিয়ে তার ৯০ শতাংশ কর্মীকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করার পর শিল্পমহল তাঁকে চিনতে শুরু করে ওই নতুন নামে।

বার্নার্ডের নেতৃত্বে লুই ভিতোঁর সাম্রাজ্যও ছড়িয়েছে বহু দূর। আন্তর্জাতিক স্তরের নামীদামি বহু ফ্যাশন ব্র্যান্ডের দখল নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ক্রিশ্চিয়ান ডায়র, ফেন্দি, জিঁভসি, মার্ক জেকবস, স্টেলা, ম্যাককার্টনি, ট্যাগ হোইয়র, বুলগরি, টিফনি অ্যান্ড কো-র মতো সংস্থা রয়েছে। এমন মোট ৭৫টি সংস্থার মালিকানা এখন বার্নার্ডের হাতে। তবে কোনওটিই বার্নার্ড নিজের হাতে গড়ে তোলেননি। শুধুই দখল করেছেন।

১৯৪৯ সালের ৫ মার্চ ফ্রান্সের রুবঁ-এ জন্ম বার্নার্ডের। এলনের মতোই তিনিও ধনী পরিবারেরই সন্তান। মা ছিলেন ব্যবসায়ী পরিবারের কন্যা এবং শৌখিনী। বাবা সেই ব্যবসাই পেয়েছিলেন বিবাহসূত্রে যৌতুক হিসাবে। ফেরেট স্যাভিনেল নামে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাই ছিল বার্নার্ডের পারিবারিক ব্যবসা। তিনিও ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করে সেই ব্যবসাতেই যোগ দেন।

ব্যবসায়ী হিসাবে বার্নার্ডের পাকা মাথার প্রমাণ পাওয়া যায় তখন থেকেই। প্রথমে পারিবারিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবসাকে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় বদলে নেন তিনি। তার পর আচমকাই কিনে নেন প্যারিসের একটি বিলাসদ্রব্যের ব্র্যান্ড।

SHARE THIS ARTICLE