
ওবায়দুর রহমান রুহেলঃ ডোনেগাল বাংলাদেশী কমিউনিটি তাদের সূচনালগ্ন থেকেই প্রতিবছর ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানকে বিশেষ গুরুত্বসহকারে পালন করে আসছে।ঈদের পরপরই একটি নির্দিষ্ট দিনে সমগ্র কাউন্টির বাংলাদেশীরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে স্থানীয় মিলনায়তন কেন্দ্রে একত্রিত হন।বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিচিত্র পদের খাবার দাবারের আয়োজন চলে দিন ব্যাপী কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে ছেদ পড়েছে আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে।গত এক বছর ধরে অন্যরকম ঈদ উদযাপন করছি আমরা। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য এমন ঈদ আগে কখনো আসেনি।বিগত দিনগুলোর ঈদ কষ্টের, বেদনার, স্বজন হারানোর এবং বন্দিদশার মধ্যে কাটানো ঈদ। এমনি করোনা দিনের আগামীকালকের আরেকটি ব্যতিক্রমী ঈদে সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ডোনেগাল বাংলাদেশী কমিউনিটি এক ব্যতিক্রমী কর্মসূচী হাতে নেয়। গতকাল রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় ডোনেগাল বাংলাদেশী কমিউনিটির সভাপতি জনাব ডাঃ মুহাম্মদ রফিক উল্লাহ ও সিনিয়র সহসভাপতি জনাব শামীম আহমদের নেতৃত্বে ঈদ উপলক্ষে প্রীতি উপহার স্বরুপ কাউন্টি ডোনেগালের সকল বাংলাদেশী পরিবারে খাদ্য সামগ্রী ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী(PPE) বিতরণ করা হয়।

লেটারকিনি, বালিবোফে, রাথমুলান,কিলমিক্রান,ডোনেগাল,ডানলো, বান্ডুরান ও বালিশাননে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী পরিবার ও ব্যক্তিবর্গের হাতে ৬৫ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী ও পিপিই পৌঁছে দেয়া হয়।খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল ঈদের মাংস পোলাও রান্নার প্রধান উপকরণ গরুর মাংস ও প্রসিদ্ধ চিনিগুড়া চাল,ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে ছিল বর্তমান সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ জীবন রক্ষাকারী মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এসব উপহার সামগ্রী বিতরণের সময় কমিউনিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ডোনেগাল বাংলাদেশী কমিউনিটির সকল সদস্যদের মধ্যে বিরাজমান পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন এছাড়াও আগামী দিনগুলোতে সুখে দুঃখে একে অন্যের পাশে থেকে যেকোনো বিপদসংকুল মুহূর্ত মোকাবিলা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ফুড প্যাকেট ও পিপিই সামগ্রী বিতরণের সময় সর্বাত্মকভাবে সহযোগীতা করেছেন জনাব শাকিল আহমেদ, জনাব তানভীর আহমেদ জনি,জনাব ফারুক আহমেদ ,জনাব জুবায়ের আহমদ সোহাগ, জনাব ওবায়দুর রহমান রুহেল,জনাব শিপার আহমেদ, জনাব মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন,জনাব ফারুক হোসেন সুমন, জনাব মোস্তাক আহমেদ, জনাব শওকত আহমেদ, জনাব আব্দুল্লাহ পাটুয়ারী প্রমুখ।