নারী পাচারের অভিযোগে ভারতের বেঙ্গালুরুতে ১৩ জন বাংলাদেশী অভিযুক্ত

আইরিশ বাংলাপোস্ট ডেস্কঃ গতকাল মঙ্গলবার হিন্দুস্থান টাইমস পরিবেশিত এক সংবাদে প্রকাশ যে, গত জুন মাসে বেঙ্গালুরুর এক ভাড়া বাড়িতে ভারতীয় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজন নারিপাচারকারীর নিকট থেকে সাতজন বাংলাদেশী নারী এবং একজন শিশুকে উদ্ধার করেছিলো। এই সময়ে ১৩ জন  আসামির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে নারী ও শিশু পাচারের অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছিলো।  

একজন ভারতীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে হিন্দুস্থান টাইমস গতকাল জানায়, অবৈধভাবে ভারতে পাড়ি দেওয়ার পর প্রতিবেশী দেশ থেকে নারী ও শিশু পাচারের অভিযোগে ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা। রফিক, সবুজ শাইক, মোহাম্মদ রফিকদুল ইসলাম রিদয়, রাকিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাবু মোল্লা, মোহাম্মদ আলমী হোসেন, মোহাম্মদ ডালিম, হোসেন আজিম, মোহাম্মদ জামাল, এনামুল হক শুজান, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, রিদয় ইসলাম, এবং মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস নামের এই সকল বাংলাদেশী নাগরিকদের, ফরেনারস অ্যাক্ট এবং অনৈতিক ট্রাফিক (প্রতিরোধ) আইনের ধারায় বর্তমানে অভিযুক্ত করা হয়েছে।অবৈধ পথে আমেরিকায় মানব পাচার কারী বাংলাদেশি দালাল মোকতার গ্রেফতার |  Beanibazar View24

তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা জানান, এনআইএ মামলাটি গ্রহণ করে এবং অনুসন্ধানে দেখেছে যে ১৩ জন অভিযুক্তরা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা বাংলাদেশ থেকে মহিলাদের প্রলুব্ধ করে এবং চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের ভারতে পাচার করে। ঐ নারীদের তখন ভাড়া বাসায় অন্তরীন করে রাখা হয় এবং তারা যৌন নির্য্যাতনের শিকার হন। অভিযুক্তরা তাদের পরিচয়পত্র জাল করেছিল এবং জাতীয় পরিচয় নথি যেমন আধার কার্ড, প্যান কার্ড নিজেদের এবং অন্যান্যদের জন্য জাল তৈরি করে ব্যাবহার করে আসছিলো। 


ইতোমধ্যে, ভারত সরকার রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে কঠোর নজরদারি বজায় রাখার জন্য। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগা জ্ঞানেন্দ্র সোমবার বলেছেন, অবৈধ অভিবাসী, বিদেশী নাগরিক, অসামাজিক এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এখানে গতকাল রাজ্যস্তরের উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, “বিদেশি নাগরিকদের স্ব স্ব থানায় একটি পৃথক রেজিস্টার রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের কার্যকলাপের উপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে।"
SHARE THIS ARTICLE