
আইরিশ বাংলাপোষ্ট ডেস্কঃ নো ভিসা ফি বৃদ্ধি ও বিমানের ম্যানচেস্টার টু সিলেট ফ্লাইট বন্ধের পাঁয়তারার প্রতিবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একই সাথে সিলেট ওসমানী বিমান বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত ও বিদেশি অন্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন প্রবাসীরা।
গত ২৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সাউথ ইস্ট রিজিওনের পক্ষ থেকে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল রোডের একটি রেস্টুরেন্টে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটির কনভেনর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সচিব সমাজসেবক মো. তাজুল ইসলাম ও কো-কনভেনর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামাল হোসেনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গ্রেটার সিলেটের প্রেট্রন ও বিশিষ্ট সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনর কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর, গ্রেটার সিলেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা, সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, সাবেক সিভিক মেয়র কাউন্সিলার জোছনা ইসলাম, কবি মুজিবুল হক মনি, কাউন্সিলার সাম ইসলাম, ক্যাম্পেইন কমিটির সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রব ও সাবেক ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ শহীদ আলী বক্তব্য দেন।
সভায় ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আগত নেতাদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন সীপার করিম, আব্দুল মালিক, মুজিবুর রহমান, খান জামাল নুরুল ইসলাম, আব্দুর রহিম রন্জু, সৈয়দ সায়েম করিম, আব্দুল বাছিত রফি, দেলওয়ার হোসেন দুলু, হেলেন ইসলাম, মিসবাহ আহমেদ, ইভা আহমেদ, শেখ নুরুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান এমদাদ, তৌরিছ মিয়া, কামরুল আই রাসেল, আনোয়ার খান, বদর উদ্দিন চৌধুরী বাবর, শাহ আব্দুল ওয়াহাব জাহাঙ্গীর, রাকিব রুহেল, আহমেদ সাদিক, আব্দুল মুকিত, আব্দুল বাছির, বদরুল হক মনসুর, ইকবাল আহমেদ, আলাউদ্দিন, মুক্তার আলী, কামরুল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সাফি খান, আব্দুল আহাদ, সাব্বির আহমেদ, তাজরুল ইসলাম তাজ, ইসলাম উদ্দিন, ফারুক আহমেদ, দারা মিয়া, টিপু আহমেদ, সারুক মিয়া, পারভেজ আহমেদ, খালিস মিয়া, আজাফ আলীসহ বিভিন্ন শহর থেকে আগত নেতারা।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের পাসপোর্টের জন্য নো ভিসা ফি ৪৬ পাউন্ড থেকে ৭০ পাউন্ডে একদিনের নোটিশে বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। অবিলম্বে তা হ্রাস বা বাতিল করতে হবে। দীর্ঘ ২২ বছরেও ওসমানী বিমানবন্দর কেন পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর হয়নি এবং কেন কাতার, আমিরাতসহ অন্য এয়ারলাইন্স ওঠানামা করে না তা প্রবাসীরা জানতে চায়।
তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রবাসীদের এসব দাবি না মানলে রেমিট্যান্স বন্ধ ও বিমান বয়কটের ডাক দেওয়া হতে পারে। বিমানের ভাড়া বৃদ্ধিরও সমালোচনা করে তা কমানোর দাবি জানান প্রবাসীরা। তারা ম্যানচেস্টার টু সিলেট ফ্লাইটের ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণার দাবি জানান।