
আইরিশ বাংলাপোষ্ট অনলাইন ডেস্কঃ প্রায় দুই সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর পেঁয়াজের দাম কমেছে। যদিও বেড়েছে মুরগির মাংস ও ডিমের দাম। সবজির দাম বরাবরের মতোই চড়া। বাড়তির দিকে প্রায় সব সবজির দাম।
পেঁয়াজের দামের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ করে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ায় এবং দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ৪০ টাকা থেকে লাফিয়ে দাম বেড়ে কেজি ৬০ টাকা হয়ে যায়। তবে এখন সরবরাহ বাড়ায় দাম কমে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর শ্যামবাজার, যাত্রাবাড়ী, নিউমার্কেট, জুরাইন বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা যায়।
বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫-২০ টাকা। জুরাইনের মুরগি ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেছে কেজিতে ১০-২০ টাকা। এখন ব্রয়লার বিক্রি করছি ১৩০-১৩৫ টাকায়। সোনালি মুরগি ২২০-২৩০ ও লেয়ার মুরগি ২২০ টাকায়।
গতকাল গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় আর খাসির মাংসের কেজি ছিল ৮৫০-৯০০ টাকা। প্রতি হালি ফার্মের ডিম ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকায়।
এক মাস ধরেই সবজির বাজার চড়া। এ সপ্তাহে প্রায় সব সবজিতেই কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা বেড়েছে দাম। বাজারে প্রতি কেজি ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। কচুর লতি ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ঢেঁড়শ ও পেঁপে ৪০ ও আলু ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ ও চালকুমড়া আকারভেদে ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। লেবুর হালি আকারভেদে ১৫-৩০ টাকা। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩০-৩৫, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক, লাউশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, লালশাক ও পাটশাক প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০-২০ টাকায়।
তবে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে শসা, বেগুন, পটোলের দর। মানভেদে শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। পটোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। এছাড়া বরবটি ৬০-৭০, গাজর ৮০-১০০, পাকা টমেটো ৬০-৮০ ও ঝিঙের দর ৪০-৫০ টাকা কেজি। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা।