যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের মধ্যেকার সম্পর্ক কখনো ধ্বংস হবে না:বরিস জনসন

আইরিশ বাংলাপোষ্ট অনলাইন ডেস্ক:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর শুরু করেছেন। বাইডেন বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতম মিত্র দেশ যুক্তরাজ্যে পৌঁছান। এই সফরের আগে বাইডেন পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব মিত্র দেশের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক টানাপোড়েন অবস্থায় ছিল, তাদের সাথে সম্পর্ক জোরদার করাই তার মূল উদ্দেশ্য।

সফরের দ্বিতীয় দিন বাইডেন একটি ছবি পোস্ট করেছেন যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুলকালাম। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নীচে সৈকতে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে বাইডেন। ছবির রহস্যও উন্মোচন করেছেন বাইডেন। লিখেছেনঃ

“যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিশেষ সম্পর্ক আগের তুলনায় এখন আরও বেশি দৃঢ়। প্রধানমন্ত্রী জনসন, আমাকে আতিথেয়তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।”

ছবিটি ঘিরে অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। লরেন নামের একজন লিখেছেন, ট্রাম্পের আমলে দুই দেশের সম্পর্কে যে চিঁড় ধরেছিল, তা মিটলো বলে…। অন্যদিকে লুইসের মন্তব্য, ট্রাম্প নেই ঠিক আছে।

কিন্তু বরিসতো ‘ব্রিটিশ ট্রাম্প’। আর ডেভিডের প্রশ্ন, সৈকতে কি কথা তাহার সনে?

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের মধ্যেকার সম্পর্ক কখনো ধ্বংস হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর বিবিসির কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। জো বাইডেন জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃটেনে রয়েছেন। সেখানে উভয় নেতার মধ্যে আলোচনার পর এই সম্মেলন শুরু হয়। এবারের এজেন্ডাতে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন ও ভ্যাকসিন।

বাইডেনের সঙ্গে ব্রেক্সিট নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিস। বৃহস্পতিবার দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে কর্নওয়ালের কারবিস বে’তে। এখান থেকেই জি৭ সম্মেলনে যোগ দেন তারা।

এতে আরো অংশ নিয়েছেন কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের নেতারাও। মহামারির পরে এই প্রথম এসব দেশের নেতারা সরাসরি কোনো সম্মেলনে অংশ নিলেন।

বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর জনসন বলেন, দুই দেশই মানবাধিকার, সুশৃঙ্খল বিশ্ব ব্যবস্থা ও ট্রান্সআটলান্টিক মিত্রতায় বিশ্বাস করে। যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের মধ্যেকার সম্পর্ক তাই শাশ্বত, গভীর ও অর্থপূর্ণ। এই সম্পর্ক বহুদিন ধরে টিকে আছে এবং ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্বের উন্নতি ও শান্তির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এটিই প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে বরিস জনসনের প্রথম সরাসরি বৈঠক।

SHARE THIS ARTICLE