আফগান নারী হলেই শরণার্থী মর্যাদার যোগ্য: ইইউ আশ্রয় সংস্থা

আইরিশ বাংলাপোষ্ট ডেস্কঃ আফগানিস্তানের সমস্ত নারী শরণার্থী মর্যাদার যোগ্য বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আশ্রয় সংস্থা। তবে এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দেয়ার বিষয়টি প্রতিটি দেশের উপর নির্ভর করবে।

ইইউ এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ) এক প্রতিবেদনে বলেছে, নারীদের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং তালেবানের কঠোর ধর্মীয় ‘শরিয়া’ আইন প্রয়োগের অর্থ হলো আফগানিস্তানে নারী ও কিশোরীরা সাধারণভাবে নিপীড়নের ঝুঁকিতে রয়েছে, তাই তাদের শরণার্থী মর্যাদা দেওয়া উচিত।

তালেবানর ক্ষমতায় আসার পরপরই আফগান নারীদের কাজ, শিক্ষা, চলাফেরার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং চুক্তিতে শিক্ষা, মতপ্রকাশ এগুলি মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে।

তালেবান পুনরুত্থান: অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শঙ্কায় আফগান নারীরা তালেবান  পুনরুত্থান: অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শঙ্কায় আফগান নারীরা

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলির সহযোগিতায় তৈরি করা হয় ইইউএএ কান্ট্রি গাইডেন্স। তবে ইউরোপীয় দেশগুলিকে আশ্রয়ের আবেদনগুলি মূল্যায়নে ইইউএএ কান্ট্রি গাইডেন্সকে বিবেচনা করতে হবে। আইন অনুসারে সবকিছু অনুসরণ করতে দেশগুলি বাধ্য নয়৷

তবে সুইডেন ইতিমধ্যেই ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সিদ্ধান্ত নেয়, আফগান নারীদের জেনেভা কনভেনশনের অধীনে শরণার্থী হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক আইনের ইউরোপীয় জার্নালে মেলটেম ইনেলি-সিগার এবং নিকোলাস ফাইথ টানের যুগ্ম ব্লগ পোস্ট অনুসারে, সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি দেখেছে “বিভিন্ন বৈষম্যমূলক আইনি, প্রশাসনিক, পুলিশ অথবা বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে আফগান নারীদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়। এই ব্যবস্থাগুলি একাধিক নিপীড়নের সমান।’

SHARE THIS ARTICLE