
আইরিশ বাংলা পোস্ট ডেস্কঃ এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজুর রহমান ও গায়িকা ইভা রহমানের বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটেছে গত জুন মাসে। ১৮ বছরের বিবাহিত জীবনে এই জুটির স্বতন্ত্র কার্যক্রম প্রচুর আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্যাক্তি হিসেবে ইভা রহমানের জাতীয় পরিচয় না থাকলেও মাহফুজুর রহমানের পরিচয় তার শিল্পী হয়ে উঠার সিঁড়ি ছিল। এটিএন বাংলায় সংবাদ পাঠিক হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেছিলেন ইভা রহমান। তখনই চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। সেই সম্পর্ককে পূর্ণতা দিয়ে তারা বিয়ে করেন।
এক সাক্ষাৎকারে ইভা রহমান জানান, “অনেকে জানে কি না- তা আমি জানি না। ২০০৩ সালে মাহফুজুর রহমানের সাথে আমার বিয়ে হয়। ২০০৬ সালে আমাদের ছেলে মারুফের জন্ম হয়। ও এখন ক্লাস নাইনে পড়ে। ২০১২ থেকে আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। আমি আর আমার ছেলে গুলশানের বাসায় থাকতাম। আর উনি (মাহফুজুর রহমান) বনানীর বাসায় থাকতেন।”

ইভা রহমান আরও বলেন, “সবশেষ ৯ বছর ধরে আমরা আলাদা থাকছিলাম। এক সময় আমার মনে হল-এভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় কোনো সম্পর্ক টিকে থাকতে পারে না। ৯ বছরে আমি সম্পর্কটা ঠিক করার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু ঐ দিক থেকে কোনো সাড়া পাইনি। এক সময় মনে হয়েছে, আমার একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। চলতি বছরের ৪ জুন ডিভোর্সের পেপার সাবমিট করি। ১৭ সেপ্টেম্বর ডিভোর্সের সার্টিফিকেট হাতে পাই। ১৯ সেপ্টেম্বর ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করি।”
তার নূতন স্বামীর নাম সোহেল আরমান, পেশায় ব্যবসায়ী।
বিগত বছরগুলোতে ‘মনের না বলা কথা’, ‘মন ভেসে যায়’, ‘মন জোনাকি’সহ ২৪টি অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন ইভা রহমান। এসময় তার উত্তরণে ইতিবাচক সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এটিএন বাংলা।

সোমবার গ্লিটজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইভা বলেন, “আমি ক্যারিয়ারজুড়ে সুস্থ-সাবলীল গান করেছি। আমি এমন কোনো গান কখনো করিনি, যেটা খুব উত্তেজনাপূর্ণ কিংবা খুব সহজেই সুপারহিট হওয়া যাবে, দর্শকদের খুব কানে লাগবে।… হয়ত বা সেকারণেই আমি খুব বেশি ফেমাস হইনি।”
ফেইসবুকে কেন তাকে নিয়ে মানুষ ‘বিদ্রুপ’ করে, সেই কারণ উদ্ধার করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেন ইভা।
তিনি বলেন, “ট্রল যারাই করেন না কেন, সেটা যেন গঠনমূলক হয়। অনেক সময় সমালোচনার ফলে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির তৈরি হয়। তখন মনে হয়, আমি দর্শকদের গান উপহার দেওয়ার জন্য এত কিছু করলাম আর আমিই এত ট্রলের সম্মুখীন হলাম! এত সমালোচনার সম্মুখীন হলাম।
সংবাদসূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪, ডেইলি নয়াদিগন্ত, গ্লিটজ, ডেইলি বাংলাদেশ