ডাবলিনে ইন্সপায়ার্ড কমিউনিটির পক্ষ থেকে ডাবলিন অনূর্ধ্ব-১৮ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান

আইরিশ বাংলাপোস্ট ডেস্কঃ গতকাল রবিবার ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২১ বিকালে কোর্কা পার্ক, ক্লোনডাল্কিনে, ডাবলিন অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করলো স্থানীয় ইনস্পায়ারড কমিউনিটি। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, গত ২৪শে আগস্ট কাউন্টি লিমেরিকের এডেয়ার ম্যানর ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয় অনূর্ধ্ব-১৮, সেভেন এ সাইড ফুটবল টুর্নামেন্ট। সারাদিনব্যাপি অনুষ্ঠিত এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ স্পোর্টস এসোসিয়েশন, আয়ারল্যান্ড। টুর্নামেন্টে সর্বমোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে ডাবলিন দল।

No description available.


ডাবলিন দলের এই বিজয়কে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে ডাবলিনের ইন্সপায়ার্ড কমিউনিটি আয়োজন করলো গতকালের এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। ক্লনডাল্কিনের কোর্কা পার্কে দুপুর ১ ঘটিকা থেকে আসতে শুরু করেন ফুটবল দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং তাদের পরিবার পরিজন, আসতে থাকেন ইন্সপায়ার্ড কমিউনিটির সদস্য এবং তাদের পরিবারবৃন্দ।

No description available.

ফুটবল দলের সদস্যরা প্রীতি ফুটবল খেলেন এবং তারপর ইন্সপায়ার্ড কমিউনিটির পক্ষ থেকে খাবারের আয়োজন করা হয়। কোর্কা পার্ক মাঠেই চিকেন বার্বিকিউ, বার্গার এবং পানীয় দিয়ে সকলকে আপ্যায়ন করা হয়।

No description available.

ইন্সপায়ার্ড কমিউনিটির পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের প্রদান করা হয় মেডাল এবং সার্টিফিকেট। মেডাল প্রদান অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন সাইফুজ্জামান খান তুহিন। মেডাল ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন ও বক্তব্য রাখেন জনাব চুন্নু মাতব্বর, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল নাসির, আব্দুল মান্নান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ফারুক সারোয়ার, হারুন ইমরান, আমিনুল হক বুলবুল, জাকারিয়া প্রধান, আকতার হোসেন, মাসুদ রহমান, মাজহারুল হক ঝিনুক, আব্দুর রহিম ভূঁইয়া, কাজি শাহ আলম (কর্ক) ও অন্যান্য। জনাব শহীদ হোসেন, খন্দকার মফিজ, রফিক উল্লাহ, নাসিরুদ্দিন ওনাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইন্সপায়ার্ড কমিটির এই অনুষ্ঠান সফল ও সার্থক ভাবে সমাপ্ত হয়েছে।

No description available.

অনুষ্ঠানে ফুটবল দলের সদস্যদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ভাইস কেপ্টেইন আলিফ মোস্তাফা। আলিফ মোস্তাফা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের বিজয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে ফুটবল দলের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করে বক্তব্য দেন ডাঃ জিন্নুরাইন জায়গীরদার। 

SHARE THIS ARTICLE